বর্তমান শেয়ার বাজারের অবস্থা - এক নজরে

বর্তমান শেয়ার বাজারের অবস্থা – এক নজরে

বছরের পর বছর লোকসানে নিমজ্জিত। কোনো ধরনের লভ্যাংশ পান না বিনিয়োগকারীরা। এমন পচা কোম্পানি শ্যামপুর সুগার মিল। অথচ এ কোম্পানির শেয়ার দামই কিছুদিন আগে বিনিয়োগকারীদের কাছে রূপকথার আলাদিনের চেরাগে পরিণত হয়। দেখতে দেখতে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়ে যায় ২৪০ শতাংশ।

এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পর এখন কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমতে শুরু করেছে। শেষ ৯ কার্যদিবসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ১৮ টাকা ৯০ পয়সা। এর মধ্যে গত সপ্তাহেই কমেছে ১৪ টাকা ৫০ পয়সা বা ১৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এর মাধ্যমে সপ্তাহজুড়ে দাম কমার শীর্ষ স্থানটিও দখল করেছে কোম্পানিটি।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ১০ পয়সা, যা তার আগের সপ্তাহ শেষে ছিল ৭৬ টাকা ৬০ পয়সা। তার আগে ৭ সেপ্টেম্বর ছিল ৮১ টাকা।

শেয়ারের এমন দাম হলেও কোম্পানিটি সর্বশেষ কবে লভ্যাংশ দিয়েছে তা ভুলে গেছেন বিনিয়োগকারীরা। এমনকি ডিএসইর ওয়েবসাইটেও কোম্পানিটির লভ্যাংশ দেয়ার কোনো তথ্য নেই।
গত সপ্তাহজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকায় টানা ১৩ সপ্তাহ শেয়ারবাজারে উত্থান হয়েছে। শেয়ারবাজারের এমন উত্থান প্রবণতার মধ্যে গত সপ্তাহে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে একচেটিয়া দাপট দেখিয়েছে বীমা খাত।

আবার গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এ খাতেরই রয়েছে ৭টি কোম্পানি। বাকি তিনটির মধ্যে পচা বা ‘জেড’ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২টি।

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে জেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠান সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ৪৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। টাকার অঙ্কে বেড়েছে এক টাকা ২০ পয়সা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৯০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ২ টাকা ৭০ পয়সা।

হঠাৎ শেয়ারের এমন দাম বাড়লেও কোম্পানিটির লভ্যাংশের ইতিহাস খুব একটা ভালো না। সর্বশেষ ২০১৬ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয়। এরপর কোম্পানিটি থেকে বিনিয়োগকারীরা আর কোনো লভ্যাংশ পায়নি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আল্টিমেটাম অনুসারে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হওয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১০ কোম্পানির ১৭ পরিচালককে পদ হারাতে হচ্ছে।

এসব পরিচালককে অপসারণ করতে ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত আদেশে সই করেছেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম। আগামী রোববার এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে কশিমনের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, এসব পরিচালককে অপসারণ করতে বিএসইসি থেকে কোম্পানিগুলোকে চিঠি দেয়া হবে। বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালকদের অপসারণে কোনো কোম্পানি গড়িমসি করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক বছরের বেশি সময় পর স্পট মার্কেট থেকে মূল বাজারে ফিরে এসেছে মুন্নু সিরামিক। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশে বৃহস্পতিবার কোম্পানিটিকে মূল বাজারে ফিরিয়ে এনেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

স্পট মার্কেটে থেকে মূল বাজারে ফিরেই দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে সিরামিক খাতের কোম্পানিটি। দফায় দফায় দাম বেড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে। এরপরও যাদের কাছে কোম্পানিটির শেয়ার আছে তারা বিক্রি করতে চাচ্ছেন না। ফলে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা উধাও হয়ে গেছে।

এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে মুন্নু সিরামিকের শেয়ারের দাম ছিল ১৩০ টাকা। যা দফায় দফায় বেড়ে সেপ্টেম্বরে ২৩৮ টাকা পর্যন্ত উঠে। এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটিকে মূল বাজার থেকে সাসপেন্ড করে স্পট মার্কেটে নিয়ে যায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এক বছরের বেশি সময় পর মুন্নু সিরামিককে মূল বাজারে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ডিএসই জানিয়েছে, গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর বিএসইসি কোম্পানিটির শেয়ার স্পট মার্কেটে লেনদেনের নির্দেশ দিয়েছিল। গত ১৬ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটিকে স্পট মার্কেট থেকে প্রত্যাহার করে মূল মার্কেটে লেনদেনের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। এ কারণে আজ থেকে কোম্পানিটির শেয়ার মূল বাজারে লেনদেন হবে।

এদিকে আজ ডিএসইর মূল বাজারে মুন্নু সিরামিকের শেয়ার লেনদেন শুরু হলে প্রথমে ১৫৫ টাকা ১০ পয়সা করে ২০০ শেয়ার কেনার প্রস্তাব আসে। তবে কেউ এ দামে শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি।

এরপর কয়েক দফা দাম বেড়ে এক পর্যায়ে ১৬০ টাকা করে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৬২টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব আসে। তবে এ দামেও কেউ তাদের কাছে থাকা শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি। ফলে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা উধাও হয়ে পড়েছে।

কোডাক কোম্পানি ব্যর্থ কেন হয়ে ছিলো?

কোডাক কোম্পানি ব্যর্থ কেন হয়ে ছিলো?

কোডাক কোম্পানি ব্যর্থ কেন হয়ে ছিলো?

কোডাক এমন একটি কোম্পানি যে জন্মদাতা ছিলো ফিল্ম ক্যামেরা আর ডিজিটাল ক্যামেরা উভয়েরই । জর্জ ইস্টম্যান নামের এক ব্যাক্তি ১৯৮৮ সালে কোডাক এর স্হাপনা করে ছিলো। ফিল্ম ক্যামেরা এর জগতের মধ্যে সে তুফান সৃষ্টি করে দিয়ে ছিলো রীতিমতো।

১৮৮৮ সাল থেকে ১৯৬৮ পর্যন্ত তার মানে মোট ৮০ বছরের মধ্যে সারা পৃথিবীর মধ্যে ৮০% মার্কেট শেয়ার ক্যাপচার করে নিয়ে ছিলো কোডাক কোম্পানি। আমেরিকার পুরা মার্কেট নমিনেট করে ছিলো তারা এবং ৮০% গ্রস মার্জিনও ছিলো এবং পাশাপাশি ভলিউম লাগাতার অনেক বেড়ে চলে ছিলো তাদের। পুরা দুনিয়াতে ক্যাপচার করে নিয়ে ছিলো কোডাক কোম্পানি। এমন একটা দৈত্যের মত রূপ নিয়ে ছিলো তারা। দেখুন কোডাকের মধ্যে বিশেষ কথাটি আসলে কি ছিলো.?

কোডাক এর ব্যর্থতার প্রথম শুরুর কারণ টাই বলি আমি আপনাকে। এর পরে পুরা কেস স্টাডি নিয়ে বুঝার চেষ্টা করবো। কোডাক কোম্পানি, সবাই জানে যে কনজিউমার প্রোডাক্ট এর মধ্যে সারা দুনিয়াতে এত উচুতে যাওয়ার পর যদি কোনো কোম্পানি হঠাৎ করে একদম নিচে পড়ে যায় তাহলে সবার জন্য এটা একটি অনেক হতাশাজনক ব্যাপার। দেখুন প্রথম থেকে বুঝার চেষ্টা করুন। কোডাক মূলত তিনটি জিনিস নিয়ে কাজ করতো।

প্রথমে বানাতো কোডাক ক্যামেরা, দ্বিতীয়ত বানাতো কোডাক ফিল্ম আর তৃতীয়ত বানাতো কোডাক পেপার। কোডাকের ফিল্ম ক্যামেরার মধ্যে তাদের মার্জিন অনেক লো ছিলো। সেটিকে অনেক বেশি দাম দিয়ে বিক্রি করতো না তারা। যে ৮০% গ্রস মার্জিন আয় করে থাকতো সেটি করতো মূলত কোডাক ফিল্ম থেকে। অনেক হাই গ্রস মার্জিন আইটেম ছিলো তাদের জন্য এটি। আর এরপর, আপনার হয়তো মনে আছে যখন আপনি কোনো বিয়ে বা ফাংশন অথবা অন্য কোনো সেলিব্রেশন এর ফটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য বা অ্যালবাম বানানোর জন্য কোনো ফটোগ্রাফার এর কাছে যেতেন তখন সেটার পেছনে লেখা থাকত অর্থাৎ পেপারের পিছে “কোডাক ফিল্ম পেপার”।

তো এটা হলো কোডাক ফিল্ম পেপার। তো এই তিনটি জিনিস ছিলো কোডাক এর জন্য। কোডাক ক্যামেরা ছিলো একটি লো মার্জিন আইটেম, এর পরের টা ছিলো অনেক হাই মার্জিন আইটেম অর্থাৎ কোডাক ফিল্ম এবং তৃতীয় টাও ছিলো তাদের জন্য অনেক হাই মার্জিন আইটেম অর্থাৎ কোডাক পেপার। ইনফেক্ট কোডাকই হলো সেই কোম্পানি যে প্রফেশনাল স্টুডিও থেকে একটি ক্যামেরা কে তুলে নিয়ে এসে হাউস হোল্ড কনজিউমার প্রোডাক্ট বানিয়ে দিয়ে ছিলো।

ক্যামেরা কে যা সর্বদা প্রফেশনাল স্টুডিও এর মধ্যে আবদ্ধ থাকতো সেটা তখন ঘরে ঘরে পৌছে দিয়ে ছিলো। প্রত্যেক ঘরে একজন ব্যক্তির মধ্যে ছবি তুলার ইচ্ছা জাগ্রত করে দিয়ে ছিলো তারা। কোডাক মোমেন্ট বা কোডাক স্মাইল বিভিন্ন ধরনের ইমোশনাল পান্চ লাইন নিয়ে এসে ছিলো যার জন্য কোডাক এর ক্যামেরা ঘরে ঘরে পৌছে ছিলো। তাহলে হয়ে ছিলো টা কি.? সব কিছু ঠিক চল ছিলো ভালো ভাবে বুঝার চেষ্টা করুন সব কিছুই ঠিক চল ছিলো তাহলে ভুল কোথায় হয়ে ছিলো.?

এটি হলো মূলত রেজার এন্ড ব্লেড সিনড্রোম ফর্মুলা। এই ব্যাবসা টি কে বলা হয় রেজার এন্ড ব্লেড সিনড্রোম। রেজার ব্লেড সিনড্রোম ফর্মুলা টা আসলে কি হলো.? যদি রেজার সস্তা তে বিক্রি করে দিয়েছেন তো ব্লেড সামনের জনের অবশ্যই কিনতে হবে। তখন ব্লেডের মাধ্যমে মুনাফা আয় করে নেওয়া যাবে। তারাও ঠিক এটি করে ছিলো। ক্যামেরা সস্তা তে বিক্রি করছিলো আর ক্যামেরার সাথে আপনার ফিল্ম এর সাথে আর পেপারের সাথে লাগাতার মুনাফা আয় করে নিচ্ছিলো। আসলে সমস্যা এটা হয়ে ছিলো যে যুগ অনেক জলদি বদলে যায়। বেল্ড রেজারের মধ্যেই ডুকে পড়েছে আর ঐ সকল কোম্পানির লস হয়ে গিয়েছে।

সিমিলারলি জলদিই এমন সময় এসেছে যখন ফিল্ম ক্যামেরার মধ্যেই ডুকে গিয়ে ছিলো। আর ডিজিটাল ক্যামেরার যুগ এসে গিয়েছে। ডিজিটাল ক্যামেরার মধ্যে কি হয় লো রিং কস্ট অব ডিজিটাল ফটোগ্রাফি। ডিজিটাল ফটোগ্রাফির মধ্যে কস্ট অনেক কম আসতো আর হাই কোয়ালিটির ইমেজও পাওয়া যাচ্ছে আর ডিজিটাল লিটারেচি বেড়েই চলে গিয়ে ছিলো। এই তিন কারণে হঠাৎ দেখতে দেখতেই ডিজিটাল ক্যামেরা ফিল্ম ক্যামেরা কে খেয়ে ফেলে ছিলো এবং একদম শেষ করে দিয়ে ছিলো। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যদি কোডাক এত বড় অর্গানাইজেশন ছিলো তো সে এটা বুঝতে পারে নি কেনো.? হ্যা নিশ্চয় বুঝতে পেরে ছিলো। তারাও বুঝতে পেরে ছিলো ইনফেক্ট আপনি অবাক হয়ে যাবেন যে ১৯৭৫ সালে স্টিভ নামের এক ব্যক্তি যে তাদেরই নিজের ইন্টার্নাল প্রকৌশলী সেই কোডাক এর মধ্যে প্রথম ক্যামেরা ইনভেন্ট করে ছিলো আর সেটি ডিজিটাল ক্যামেরা। কি বুঝেন নি.?

আবার শুনুন কোডাকই প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা তৈরি করে ছিলো। কোডাকই সেই কোম্পানি যে ডিজিটাল ক্যামেরা এর আবিষ্কার করে ছিলো কিন্তু তবুও চলতে পারে নি কেননা সেটা এডিকশন হয়ে গিয়ে ছিলো। হাই ভলিউম মার্জিন প্রফিটের সাথে আপনার শেষের শক্তি সামনের ভবিষ্যৎ কে খারাপ করে দিতে পারে। কোডাকের শেষের শক্তি অর্থাৎ ঐ সময়ের শক্তিই তাদের ভবিষ্যৎ খারাপ করে দিয়ে ছিলো। যদিও সেটা প্রথম ক্যামেরা ছিলো পয়েন্ট ওয়ান মেগাপিক্সেল এর ছিলো কিন্তু মনোযোগ দিয়ে বুঝার চেষ্টা করুন একটি ক্লাসিকাল উদাহরণ আছে।

Missing opportunity of first mover advantage. ফার্স্ট মোভার এডভান্টেজ ও অনেক বড় এডভান্টেজ হতে পারে। ঠিক আছে ফার্স্ট মোভার হতে হবে কিন্তু কোডাক সেটি হতে পারে নি। কিন্তু যদিও কোডাক ফার্স্ট মোভার ছিলো এবং তার জন্য এটি সহজ ছিলো ফার্স্ট মোভার হওয়া। যদি ফার্স্ট মোভার এর এডভান্টেজ নিতে পারত তাহলে অনেক বড় মার্কেট শেয়ার ক্যাপচার করতে পারতো। অপর দিকে ফুজি ফিল্ম তাকে ধোকাঁ দিচ্ছিলো। ফুজি ফিল্ম হঠাৎ করে জাপানিজ টেকনোলোজির সাথে মিলে ১৯৮০ এর পর প্রোডাকশন ইকোনমি স্কিল এতটাই বাড়িয়ে দিয়ে ছিলো যে কোডাক এর চেয়েও সস্তাতে ফিল্ম বিক্রি করতে লাগলো। আমেরিকান মার্কেটে এসে এক প্রকার যুদ্ধ শুরু করে দিয়ে ছিলো ফুজি ফিল্ম। আর সেখানে কোডাক কিছু বুঝতেই পারে নি। কোডাক ডিজিটাল ক্যামেরার দিকে ধ্যান দিতেই পারে নি আর। কেননা কোডাক ফুজি ফিল্ম এর বিপক্ষে লড়াই করা শুরু করে দিয়ে ছিলো। Fighting against wrong competition can kill your actual business. আরেক বার বলি আসুন Fighting against wrong competition can kill your actual business.

আপনাকে অবশ্যই নিজের পজিশন তৈরি করে নিতে হবে। রিচার্চ এন্ড ডেভেলপ মেন্ট কোডাক এর অনেক শক্তিশালী ছিলো। এখনো পৃথিবী কোডাক এর বিপক্ষে আঙুল তুলা শুরুই করে নি যে কোডাক থেমে গেছে আর দুনিয়া আগে চলে যাচ্ছে। এতটুকু তে কোডাক নিজের মার্কেট ইনটেলিজেন্স টিম কে ইনভেস্ট করে ছিলো এবং তাদের লাগিয়ে দিয়ে ছিলো আর তাদের এনগেইজ করে ছিলো যে আমাকে বলুন যে কি হতে যাচ্ছে সামনে । নিজেদের রিপোর্টে তারা শিফট ইন কোর টেকনোলজি আর এডপশন কার্ভ এর সম্পর্কে ব্যাখ্যা করে ছিলো যে কিভাবে মার্কেট এডপ্ট করে যাবে আর কোর টেকনোলজি শিফট হয়ে যাবে। যদিও ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে তারা ঐ সময়ে কিছু অবুঝহীন অবস্হায় ছিলো। স্টিভ বসে কোডাক এর মধ্যেই ডিজিটাল ক্যামেরা বানিয়ে ছিলো। ঐ সময়ে কাজ কিছু ধীর গতির ছিলো এবং অনেক দামি জিনিস দেখাতে হচ্ছিলো।

কিছু বুঝতে পারছিলো না যে ডিজিটাল ক্যামেরা আসবে কি আসবে না। তার জন্য কিছু আপনার কোডাক এর পার্টও বুজতে হবে। কোডাক এর ভুল হয়ে ছিলো কেন.? কোডাক কি জেনে শুনে করেছে নাকি এগুলো। কোডাক তখন চিন্তা করছিলো শুধু আর সে কিছু বুঝে উঠতে পারছিলো না যে ডিজিটাল ক্যামেরা হবে কি হবে না। কেননা কোডাক এর মনে হয়ে ছিলো হাতে ধরে রাখার মত টাচ এন্ড ফিল ফটোগ্রাফির অভিজ্ঞতা দুনিয়া কখনো ছাড়বে না। কোডাক চিন্তা করছিলো ফটো হাতে নেওয়ার যে ইমোশন হয় প্রিন্ট এর সেটা কে দুনিয়া কখনো ছাড়বে না। ডিজিটাল এটা কে কখনো ধরতে পারবে না। আসলে এর জন্য এই কারণ টাও ছিলো যে, কেননা কোডাক হাই মার্জিন পাচ্ছি লো মনে আছে আপনার.? আমি শেয়ার করে ছিলাম আপনার সাথে, ফিল্ম এর মধ্যে এত এত হাই মার্জিন পেয়ে এক্সুয়েলি কোডাক অনেক বড় বড় ফ্যাক্টরি বানিয়ে ফেলে ছিলো যে হাই মার্জিন এবং হাই ভলিউম প্রোডাকশন এর উপর ফ্রেম বেস ক্যামেরার জন্য। এখন এটাকে ধরা তাদের জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে ওঠছিলো। তাদের ফিডব্যাক তো মিলছে কিন্তু ফিড ফরোয়ার্ডে কনভার্ট হচ্ছিলো না।

আরেক বার বলি ভালো করে বুঝুন ফিডব্যাক তো মার্কেট থেকে পেয়ে যাচ্ছিলো কিন্তু ফিড ফরোয়ার্ডে কোনো ভাবেই ইমপ্লিমেন্ট হতে পারছিলো না। শিফট ইন কোর টেকনোলোজি থেকে তারা জানতে পায় এডপশন কার্ভ এর আইডিয়াও কাজে দিচ্ছিলো এবং মার্কেট থেকেও যথেষ্ট ফিডব্যাক মিল ছিলো। কিন্তু তবুও তারা অনেক ব্যস্ত ছিলো ভুল প্রতিযোগিতার বিপক্ষের লড়াইয়ে। ঐ সময় তারা ফুজি এর বিপক্ষে লড়াই করা শুরু করে দিয়ে ছিলো। They are too busy in fighting against the wrong competition. এটি হলো আসলে Ten years of busyness, Losing a lot of business.

আসলে কোডাক কোম্পানির প্রথম ভুল হলো এডপশন কার্ভ কে তারা ভালো করে চিনতেই পারে নি। ১০ বছরের সময় ধরে বিভিন্ন মার্কেট জরিপ কোডাক এর মার্কেট ইনটেলিজেন্স টিম তাদের দিয়ে ছিলো। সেই ১০ বছর তারা, they got too busy in fighting against the wrong competition. তারা ফুজি কোম্পানির সাথে লড়াই করেই চলে ছিলো। তাদের আসলে লড়াই করার কোনো প্রয়োজন ছিলো না। তাদের দেখা উচিত ছিলো মার্কেট কোথায় শিফট হতে যাচ্ছে ।

ঠিক এমনই হয়তো আপনার ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে মার্কেট শিফট করতে পারে। ভালো ভাবে বুঝার চেষ্টা করবেন অবাক করার মতো আরো অনেক কথা আসছে সামনে আপনার জন্য। কোডাক এর কেস স্টাডি আপনার পছন্দ হয়েছে সেটি ভালো কথা।কিন্তু আমার কাজ হলো কোডাক কোম্পানি যে সকল ভুল গুলো করে ছিলো সেই ভুল গুলো কে প্রত্যেক সাধারন ব্যক্তির নিকট পৌছে দেওয়া। আপনিও কি এমন কোনো কোনো ভুল করতে যাচ্ছেন.?

দেখুন আরো চার থেকে পাচঁটি বড় ভুল আসতে চলেছে কোডাক কোম্পানির এই লম্বা সফরের মধ্যে। যার মধ্যে আপনার জন্য অনেক লার্নিং এবং লেসন আছে যাতে আপনি সেই একই ভুল গুলো পুনরায় না করেন। কোডাক কোম্পানি থেকে শিখতে পারেন আপনিও। আগে পড়তে থাকুন। একটা মজাদার কথা বলি ১৯৭৭ সালের দিকে ঐ সময়ে গানথার নামের ঐ সময়ের একজন সবচেয়ে বড় বিজ্ঞানী যে জেরক্স কে অনেক উপরে নিয়ে গিয়ে ছিলো, তাকে ইন্টার্ভিউ এর জন্য ডেকে ছিলো কোডাক কোম্পানির টপ ম্যানেজমেন্ট। তারা বলে ছিলো গানথার, আমাদের তোমার প্রয়োজন আছে আর সেই ইন্টার্ভিউ টি অনেক লম্বা চৌড়া হয়ে ছিলো। ইন্টার্ভিউ তে গানথার কে একটা প্রশ্ন করে ছিলো কোডাক কোম্পানি এর টপ ম্যানেজমেন্ট। প্রশ্নটি হলো, গানথার তোমার কি মনে হয় ভবিষ্যৎ কেমন দেখতে পাচ্ছো তুমি.?

আগে ভবিষ্যৎ কেমন হবে বলে মনে হয় তোমার.? তো তখন গানথার উত্তর দিলো আমি ভবিষ্যৎ ডিজিটাল দেখতে পাচ্ছি। কি দেখতে পাচ্ছে.? আরেক বার বলি, গানথার বলল আমি ভবিষ্যৎ ডিজিটাল দেখতে পাচ্ছি। কোডাক কোম্পানির লোকেরা তখন রেগে গিয়ে ছিলো আর মন খারাপ করে ফেলে ছিলো। ইন্টার্ভিউ এর মধ্যেই মন খারাপ করে ফেলে ছিলো তারা। গানথার এর মতো বিজ্ঞানী এর মতামতের কারণে ইন্টার্ভিউ এর মধ্যেই মনোমালিন্য হয়ে গিয়ে ছিলো। গানথার আসলে এত বেশি শক্তিশালী বিজ্ঞানী ছিলো যে কোডাক কোম্পানি তো তাকে নিয়ে নিয়েছে এবং চাকরির মধ্যেও নিয়ে নিয়েছে। গানথার কোডাকের মধ্যে জয়েন করে নিয়ে ছিলো। জয়েন করার কিছু দিন পর যখন গানথার নিজের কিছু ফিডব্যাক আরো দিয়ে ছিলো এক্সুয়েলি আপনিও হয়তো চিন্তা করছেন কোডাক কোম্পানি কি পাগল ছিলো নাকি তারা এই কথাটা বুঝতে চেষ্টা কেন করছিলো না.?

তারা আসলে এই কারণে মানতো না কেননা যে ফিল্ম ক্যামেরার ব্যবসা ছিলো সেটা তে এত বেশি প্রফিট নিয়ে আসছিলো যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছিলো অনেক সহজে। ডাইভারসিফাই করছিলো এবং ফার্মাসিউটিক্যাল করছিলো। নতুন নতুন ব্যবসা কেনার ফলে এত আয় হয়ে গিয়ে ছিলো যে তাদের, তখন তাদের মনে হলো এত বড় আয়ের ব্যবসা তে তুমি প্রশ্ন কিভাবে করতে পারো। এখন গানথার আচ্ছা সেই সাথে আরেকটি কথা রয়েছে ফোর্বস এর একটি ম্যাগাজিনে ১৯৮৪ সালে একটি আর্টিকেল এর মধ্যে লিখে ছিলো যে দুনিয়া আগে চলে গিয়েছে আর কোডাক কোম্পানি এখনো পিছে রয়ে গিয়েছে।

এতে কোডাক এর ম্যানেজমেন্ট টিম এত বেশি রেগে গিয়ে ছিলো যে ঐ সময়ে তাদের রিফ্লেক্টিভ লিসেনিং দেখুন তাদের রিফ্লেক্টিভ লিসেনিং এর কত কমতি ছিলো যে রিবাটনে লেগে গিয়ে ছিলো তারা। উত্তর দেওয়াতে লেগে গিয়ে ছিলো তারা যে, যেই ব্যাক্তি এই আর্টিকেল লিখেছে সে কিছুটা লো ইনটেলিজেন্স আইকিউ আন্ডারস্ট্যান্ডিং বিজনেস এনালাইটিকস। তারা বুঝতে পারছিলো না আসলে। আর কোডাক এর টিম তখনও রিবাটনে লেগে ছিলো। তাদের এটা মনে হয় নি যে আমাদের ফিডব্যাক কে ফিড ফরোয়ার্ডে কনভার্ট করতে হবে। আবারো বলি ভালো ভাবে খেয়াল করুন ফিডব্যাক তো ছিলো তাদের কিন্তু ফিড ফরোয়ার্ড ছিলো না। আচ্ছা এটা তে লার্নিং কি আছে.? শেখার মত কি আছে.?

Here the top management lacks in reflective listening about their blind spots. One more time cmon, Top management lacks in reflective listening about their blind spots. ব্লাইন্ড স্পট এর অর্থ আসলে কি.?

এটা সেই স্পট যা আরেক জন দেখতে পায় কিন্তু সে নিজে দেখতে পারে না। তাদের দেখা বন্ধ হয়ে গিয়ে ছিলো। আমি আবারো বলছি, এত বড় প্রফিট অর্থাৎ আমার নিজের শক্তিই আমাকে ডুবিয়ে দিয়ে ছিলো। মনোযোগ দিবেন দেখুন আপনার শক্তি আপনাকে আগে বাড়াতে পারতো কিন্তু আপনার শক্তি এই পরিবর্তনশীল পরিবেশে লিমিটেড সময় এর জন্য হয়ে থাকে। শেখার কি আছে এটা তে.? লার্নিং টা কি.?

Every competitive advantage has a limited lifespan. One more time, C’mon Every competitive advantage has a limited lifespan.

আপনার কাছে আজ যেই শক্তি আছে সেটা অনেক কম সময়ের জন্য কেননা আপনার কম্পিটিটরও সেখানে ডুকতে থাকবে। অনেক কম্পিটিটর চলে এসে ছিলো তখন। দেখতে দেখতে ডিজিটাল ক্যামেরা তো বানিয়ে ছিলো কোডাক কোম্পানি কিন্তু সেটি অন্য ব্রান্ড এসে পুরা ব্যবসা নিয়ে চলে গিয়ে ছিলো। গানথার এর মতো বিজ্ঞানী আর মিডিয়া আর নিজেদেরই ইন্টার্নাল টিমের কথা অবজ্ঞা করা এবং মার্কেট ইনটেলিজেন্স টিম কে অবজ্ঞা করা এর মূল কারন। এটি হলো মূলত Self praising syndrome. আরেক বার বলি কি বলা হয় এটিকে.?

Self praising syndrome. When you are too busy in convincing others about your own intelligence. আপনি অনেক ব্যস্ত, আপনি পুরা শক্তি এটা তে লাগিয়ে দেন যে কিভাবে মানুষকে দেখাতে হবে। মানুষকে দেখানো তে লাগিয়ে দেন যে দেখো আমি কত বুদ্ধিমান। আমি এত এত টাকা আয় করে দেখিয়েছি। আমাকে শিখাবেন না। এটা কে বলা হয় ফিডব্যাক তো ছিলো কিন্তু ফিড ফরোয়ার্ড ছিলো না। যত যত সময় পেরিয়ে যাচ্ছিলো তাদের টপ ম্যানেজমেন্ট এটা বুঝতে পারছিলো যে, That we are clinging to the past and we are playing our favourite. One more time C’mon Clinging to the past and playing our favourite.

তারা জানতো যে আমার পছন্দের গেম হচ্ছে কোডাক ফিল্ম। তারা জানতো যে এত বড় মার্জিন আচ্ছা দেখুন তখন ছিলো প্রস্তুতির সময় কিন্তু ক্লিংগিং টু দ্যা পাস্ট এন্ড প্লেয়িং দ্যা ফেভারিট। যার কারণে ভোট নিজের ট্যালেন্ট কে এখানে ট্যালেন্ট এর মানে হলো তাদের যে ম্যান পাওয়ার আছে অর্থাৎ অর্গানাইজেশন এর মধ্যে ম্যান পাওয়ার হয় সেটি। এই কারণে তারা নিজের ট্যালেন্ট কে যুক্ত করে সর্বোচ্চ সমাধান বের করতে পারে নি। সময় ছিলো কিন্তু সময় থাকা কালীন হাত থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলো। সেই ট্যালেন্ট কে যদি তারা সংযুক্ত করে যেত তাহলে স্পীড অব এক্সিকিউশন হতে পারতো। আপনি আমার লিখার মধ্যে সব সময় বুঝতে পারেন স্ট্রেটেজি আর ইনোভেশন আপনাকে সফল বানায় না।

১৯৯০ সালে ফার্স্ট শক অর্থাৎ প্রথম ঝাটকা তখন লেগে ছিলো যখন হঠাৎ দশ হাজার কর্মচারী কে কোম্পানি থেকে বের করতে হয়ে ছিলো তাদের । ১৯৯০ সালে তো কোয়ার্টারলি এক্সপ্লোশন হচ্ছিলো ডিজিটাল ডিসরাপশন এর। যদিও ১৯৯০ সাল টি এত খারাপ ছিলো না। They were only quarterly explosion of digital disruption. কিন্তু ২০০০ সাল এর পর তো, It turns into monthly explosion of digital disruption. এর পরে দেখতে দেখতে Daily explosion of digital disruption পৌছে গিয়ে ছিলো। অনেক দ্রুততার সাথে যুগ পাল্টাচ্ছিলো তখন। যদিও ২০০১ সালে কোডাক ডিজিটাল ক্যামেরা কে মাস মার্কেটে তো নিয়ে এসে ছিলো কিন্তু সেলস কে বাচাঁতে পারলো না তারা ।

২০০১ সাল থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ৯০% সেলস ডাউন হয়ে ছিলো। 8 years of consecutive operating losses কে সহ্য করতে হয়েছে তাদের। Increase in cash crunch and decrease in liquidity. প্রফিবিলিটি চলে গিয়ে ছিলো তাদের। ক্রেডিট রেটিং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট এর মধ্যে শেষ হয়ে গিয়ে ছিলো তখন। এক্সাটার্নাল সাপোর্ট এর জন্য কেউই সামনে এগিয়ে আসলো না। আসলে ভালো করে দেখুন ১৯৯০ সালে তো ফিল্ম ক্যামেরা উপরে চলছিলো কিন্তু ১৯৯৫ সালে ডিজিটাল ক্যামেরা ধীরে ধীরে এসে ছিলো আর ধীরে ধীরে উপরে উঠতে লাগলো। ২০০৩ পর্যন্ত ফিল্ম ক্যামেরা নিচে এসে ছিলো আর ডিজিটাল ক্যামেরা উপরে উঠতে লাগলো আর অতিক্রম করে ফেললো।

২০১১ সালে ফিল্ম ক্যামেরা পুরোপুরি শেষ হয়ে গিয়ে ছিলো। হেল্পলেস বা অসহায় হয়ে দেখতে দেখতে চোখের সামনে ২০১২ সালে ফাইল করে দেয়া হয়ে ছিলো ব্যাংক করাপসি এর ১১ তম অধ্যায়। কোডাক এর চ্যাপ্টার ওভার হয়ে গিয়ে ছিলো। লার্নিংস অনেক গুলো বের করা যেতে পারে। Patterns that gave success in the past can delay your progress in the future. One more time C’mon patterns that gave success in the past can delay your progress in the future. যে কোনো কম্পারেটিভ এডভান্টেজ, আপনার যে কোনো ইনোভেশন যার একটা লিমিটেড লাইফ স্পান হয়ে থাকে। আপনার বর্তমান শক্তি কি.?

আর মার্কেটের বর্তমান প্রয়োজন কি? ভালো ভাবে বুঝার চেষ্টা করুন কারেন্ট ইনোভেশন মার্কেটের প্রয়োজন এর সাথে যদি না মিলে আর পোগ্রেসিভ নিড এর সাথে না মিলে তো তাহলে ভবিষ্যৎ ভয়ঙ্কর হতে পারে। আপনার আজকের শক্তি আজকে তো আপনাকে লাভ দিবে কিন্তু জরুরি নয় যে ভবিষ্যতেও লাভ দিতে থাকবে। যদি আপনি কোনো সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট এর পার্ট হোন অথবা যদি আপনি কোনো উদ্যোক্তা বা স্টার্ট আপ হোন আর আপনি চান আপনার ব্যবসাকে বা আপনার প্রফেশনাল ক্যারিয়ার কে একটি নতুন লেভেলে নিয়ে যাওয়া তাহলে আপনার ব্লু ওসেন স্ট্রেটেজি আইডেন্টিফাই করুন এবং নতুন মার্কেট কে আইডেন্টিফাই করুন। নিজের উপর ইনভেস্ট করার ক্ষেত্রে কখনো কৃপনতা করবেন না। আমি বার বার বলে থাকি কৃপনতা করুন মনোরঞ্জন এর ক্ষেত্রে মনোমঞ্জনে নয়। বিনোদনে কৃপনতা করুন কিন্তু নিজেকে গড়ার কাজে টাকা ইনভেস্ট করা উচিত।

How to expand your business exponentially

How to Expand Your Business Exponentially

আজকের টপিক হলো ” How to expand your business exponentially “.

ইনক্রিমেন্টালি হবে না কিন্তু এটা হবে এক্সপোনেনশিয়ালি। তার মধ্যে দুটি জিনিস রয়েছে, একটি হলো ব্যবসার মধ্যে এডিশন এবং অন্যটি হল মাল্টিপ্লিকেশন। এডিশন এর বিষয়টা হলো আপনি ১০০ টাকার কাজ করেছেন, এর পরের বছর আরো ১০ টাকা যোগ করেছেন, এর পরের বছর আবার ২০ টাকা যোগ করেছেন। এর অর্থ হলো আপনি ১০% বৃদ্ধি করেছেন। কিন্তু এক্সপোনেনশিয়ালি বিষয়টি যোগের মাধ্যমে হয় না। গুনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যখন বৃদ্ধিসূচক ২ এ চলে আসে মিনিমাম তখন একে এক্সপোনেনশিয়াল বলা হয়।

আপনার ব্যবসা দ্বিগুণ, তিনগুণ বা চারগুন কিভাবে হবে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ১০০ টাকা টা ১২০,১৪০,১৮০ হয়ে যাক সেটা কোনো ব্যাপার না। ১০০ টাকার ব্যাবসা কিভাবে ২০০,৪০০,৮০০ এর হবে আজকে এখানে তা বলা হবে। একে বলা হয় এক্সপোনেনশিয়াল গ্রোথ। এডিশন দ্বারা বুঝায় ইনক্রিমেন্টাল অপরদিকে মাল্টিপ্লিকেশন এর অর্থ হলো এক্সপোনেনশিয়াল। এডিশন হতে পারে ১০%,২০% কিংবা ৩০%। অন্যদিকে এক্সপোনেনশিয়াল হবে ১০০%, ২০০% এবং ৩০০% পর্যন্ত। প্রথম ক্ষেত্রে ব্যবসা কিছুটা প্রসারিত হবে কিন্তু দ্বিতীয় ক্ষেত্রে হঠাৎ করেই দ্বিগুণ , তিনগুন এবং চারগুন হয়ে যাবে।

স্কেলেবিলিটি এর অর্থ হলো যে দিন আপনার ব্যাবসা আপনাকে ছাড়াই নিজে নিজে লাগাতার বাড়তে থাকবে, তখন আমি মানতে পারবো আপনার ব্যাবসা স্কেলেবেল হয়ে গিয়েছে। লালাজি যখন ক্যাশে বসা বন্ধ করে দেয় কিন্তু তবুও তার ব্যাবসা বৃদ্ধি পেতে থাকে তখন তাকে বলা যেতে পারে এক্সপোনেনশিয়ালি বৃদ্ধি পাওয়া বা ব্যবসা স্কেলেবেল হওয়া।

কিন্তু স্কেলেবিলিটি এর আগে সাস্টেইনেবিলিটি অতীব জরুরী বিষয়। মানুষ স্কেলেবিলিটি এর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে কিন্তু তার ফলেও তাদের কোম্পানির ইম্যাচিউর ডেথ হয়ে যায়। কেননা তারা এক্সপেনশনে চলে যায়, তাদের গ্রস মার্জিন আর থাকে না। তাদের গ্রস প্রফিট বিপদে চলে আসে এবং এক সময় শেষ হয়ে যায়।তাই প্রথমে সাস্টেইন করা জরুরি।

একটি রিকারিং রেভেনিও মডেল ডেভেলপ করা যেখানে আপনার গ্রস প্রফিট ফিক্সড হয়ে যাবে। যেই দিন আপনার গ্রস প্রফিট বিপদমুক্ত হয়ে যাবে তখন স্কেলেবিলিটি এর কথা বলাটা ঠিক হবে। তাই প্রথমে সাস্টেইনেবিলিটি উইথ মিনিমাম অপারেটিং প্রফিট অবশ্যই সুনিশ্চিত করে নিবেন এবং তারপরেই স্কেলেবিলিটি। বেচেঁ থাকা প্রফিট দিয়ে এক্সটারনাল ফান্ড কে ফান্ডিং এজেন্সি, পিই ইনভেস্টের দ্বারা কাজে লাগনো ঠিক হবে। অনেক বেপারি ভুল কি করে জানেন.?

তারা প্রথমেই সাস্টেইনেবিলিটি কে বিপদের মধ্যে ফেলে দেয়। এজন্য আমি বলেছি রিকারিং রেভেনিও মডেলের অর্থ কি হলো কিছু কাস্টমার বেস আপনার ফিক্সড হতে হবে। যেখান থেকে রিকারিং অর্থাৎ বার বার ফিক্সড রেভেনিও অবশ্যই আসতে থাকে। মনোযোগ দিয়ে বুঝার চেষ্টা করুন আমার কথা, Never leave the sure for unsure.

এটাকে অবশ্যই সুরক্ষিত রাখবেন। মিনিমাম গ্রস প্রফিট থাকা লাগবে আপনার ব্যবসার মধ্যে। যদি গ্রস মার্জিন শেষ হয়ে যায় তো আপনার ব্যাবসা জলদি আনন্যাচারাল সাডেন ডেথ হয়ে যাবে। প্রায় সকল ব্যবসার মধ্যে রিকারিং রেভেনিও মডেল কোন না কোনো প্রকারে সম্ভব হয়ে থাকে। আপনার ব্যবসাকে সুরক্ষিত রাখতে হলে আপনাকে খুজঁতে হবে আপনার ব্যবসার মধ্যে রিকারিং মানে বার বার আসা সুরক্ষিত রেভেনিও মডেল কোথা থেকে আসবে যেটা দিয়ে আপনার ব্যবসার সাস্টেইন হবে।

সাস্টেইনেবিলিটি এবং তারপরেই স্কেলেবিলিটি। সাস্টেইনেবিলিটি ছাড়া স্কেলেবিলিটি করতে যাবেন তাহলে বিপদে পড়ে যাবেন হয়তো। আর এভাবেই অনেক উদ্যোক্তা ঝড়ে যায়। যেরকম টা আপনি জানেন আমি আপনাকে ফর্মুলা অবশ্যই দিবো। প্রফিটেবিলিটি হলো প্রোডাক্ট প্লাস পিউপিল। স্কেলেবিলিটি ইজ এন আউটকাম অব প্রসেস অরিয়েন্টেশন। একটু এই ফর্মুলা টা কে ভালো করে বুঝার চেষ্টা করুন। যখন প্রোডাক্ট আন পিউপিল দুইটাই একসাথে হয়ে যায় তখনই প্রফিট আসে। যখন প্রসেস অরিয়েন্টেশন হয় তখন স্কেল আপ হয়ে থাকে। আগে বুঝাচ্ছি একটু মনোযোগ সহকারে বুঝার চেষ্টা করুন। উদাহরণস্বরূপ অনেক গুলো সংঘটনকে আমরা জিজ্ঞাসা করি ব্যাবসা স্কেল আপ করতে হলে কি লাগে.?

তারা বলে আপনার অনেক গুলো ভালো প্রোডাক্ট লাগে। আমরা আবার তাকে প্রশ্ন করি ব্যবসাকে এক্সপেন্ড করতে হলে কিসের প্রয়োজন হয়.? তারা উত্তর দেয়, ভালো প্রোডাক্ট থাকলে ব্যবসা নিজে নিজেই এক্সপেন্ড হয়ে যাবে।সবসময় প্রোডাক্টে নজর দিবেন। আসলে এটা পুরোপুরি সত্য নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রোডাক্ট এর মান অনেক ভালো কিন্তু তার পরেও ব্যাবসা এক্সপেন্ড হচ্ছে না। এমন অনেক বই আমি পড়েছি যা অনেক ভালো মানের বই ছিলো কিন্তু তা কোথাও পৌছাতে পারে নি।

আবার এমনও অনেক বই আমি পড়েছি যা তেমন একটা ভালো মানের ছিলো না কিন্তু তাও তা পৃথিবীর সব বইয়ের দোকানে, অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, রেলস্টেশন, বাসস্টপ, এয়ারপোর্ট ইত্যাদি সব জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে। ভালো না হওয়ার পরেও সেই বই অনেক বিক্রি হয়েছে কেননা ঐ বইয়ের পিছনে ব্যাক এন্ড অপারেশন অনেক ভালো ছিলো। তাই সেই বইটি স্কেল আপ হয়ে গিয়েছে। তাই যদি প্রোডাক্ট ভালো হয় কিন্তু তারপরেও স্কেল আপ করা না যায় তাহলে তো এটা সম্ভব নয় যে প্রোডাক্ট পৃথিবীর সব জায়গায় পৌছাবে।এটাকে আজ আরেকটু সহজ করে বলি।

গুপ্তা বার্গারের অনেক গুলো দোকান আমি ভারতে দেখেছি। তারা অনেক ভালো বার্গার বানাচ্ছে, ব্রেডকে অনেক সুন্দর করে ফ্রাই করে, এর উপর টমেটো, সস, ক্যাবেজ, সালাদ, চাটনী ইত্যাদি লাগিয়ে চাটনী বানাচ্ছে। উফ..! কি মজাদার দেখতে। খেলে মজা চলে আসবে।

উম্মাহ..! গুপ্তা বার্গারওয়ালা। অসাধারণ কৃর্তি আপনার।

এখন আসি মূল কথায়। তাদের বার্গার অনেক মজা কিন্তু ব্যাবসা স্কেল আপ করতে পারেনি। কেননা দেখবেন এখানে দুটি জিনিস রয়েছে একটি হলো পার্সোনালিটি অর্থাৎ পিউপিল আর অন্যটি হলো প্রোডাক্ট। পিউপিল আর প্রোডাক্ট দুইটিই ভালো হওয়ার ফলে গুপ্তা বার্গার প্রফিট পাচ্ছে। তার বার্গারের পেছনে খরছ পড়ছে ১৫ টাকা আর সে বিক্রি করছে ৩০ টাকা। ১০০% গ্রস মার্জিন। অদ্ভুত হয় গেল না ব্যাপারটা অনেক.!

হতে পারে গুপ্তা বার্গারওয়ালা অনেক টাকা আয় করে ফেলে কিন্তু অন্যদিকে ম্যাক ডোনাল্ডস স্বাদের জন্য পরিচিত নয়। এর পরিচয় এটা নয় যে ম্যাক ডোনাল্ডস পৃথিবীর সেরা একটি বার্গার বরং তাদের পরিচয় এটাতে যে তারা পৃথিবীতে বিলিয়নেরও বেশ বার্গার বিক্রি করেছে। তাদের পরিচিতি এটাতে যে, তাদের প্রসেস অরিয়েন্টেশনে, তাদের স্পীডে।

তাদের দোকানের প্রথম জানালায় গিয়ে অর্ডার দিলে এর পরের জানালার কাছে যেতে যেতে আপনার বার্গার হাজির। আপনি বার্গার পেয়ে যাবেন। এতটা দ্রুত তারা। একে বলা হয় প্রসেস অরিয়েন্টেশন। ঠিক একই বার্গার দুনিয়ার সব জায়গায় ম্যাক ডোনাল্ডস এর দরজায়।

যে কোনো দেশে একই স্বাদের বার্গার পেয়ে যাবেন। যেখানে আপনি থাকেন সেখানে গলিতে গিয়ে দেখবেন ঐখানে যে বার্গার বানানো ওয়ালা আছে, হতে পারে সে ম্যাক ডোনাল্ডস এর থেকেও ভালো বার্গার বানাচ্ছে। তো এখানে প্রোডাক্ট অনেক ভালো মানের আছে, যে পার্সোনালিটি মানুষ আছে সে বার্গার বানানোতে এক্সপার্ট হয়ে ওঠেছে। সেও অনেক ভালো। এর মানে হলো পিউপিলের কারণে ওর প্রফিট আসছে কিন্তু তার ব্যাবসা কত বড় হতে পাড়বে.?

কখনো সমৃদ্ধা হবে না। কিছু ব্যাবসা করবে আর কিছু ব্যাবসা থেকেই প্রফিট আয় করবে। লাল্লু লালই থেকে যাবে সারাজীবন।

লাল্লু লাল মিষ্টিওয়ালা কানপুরে শুনেছিলাম,তাগ্গু লাড্ডুওয়ালা দিল্লিতে আমি শুনেছিলাম, বিল্লে দি হাট্টি আব লাহোর ছোলা বাটুরা বানায় ইত্যাদি।

এরা সবাই মাস্টার মানুষ। সুপার স্পেশালিষ্ট নিজেদের ইন্ডাস্ট্রিতে। দূর দূর হতে মানুষ এদের বার্গার, ছোলা বাটুরা, এদের লাড্ডু, এদের খিচুড়ি খেতে চলে আসে। কিন্তু সমস্যা কি জানেন.?

এখানে প্রোডাক্ট অনেক ভালো, মানুষও অনেক ভালো। প্রোডাক্ট ও পারসন ভালো হওয়াতে গ্রস মার্জিন চলে আসবে। এ কারণে প্রফিটেবিলিটিও চলে আসবে কিন্তু স্কেলেবিলিটি কখনো আসা সম্ভব না। স্কেলেবিলিটি ততক্ষণ পর্যন্ত আসে না যতক্ষণ না পর্যন্ত, খেয়াল করুন এ ক্ষেত্রে ফ্রন্ট এন্ড এ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে কিন্তু ব্যাক এন্ডে কোনো গুরুত্ব দেয়া হয়নি।

অন্যদিকে ম্যাক ডোনাল্ডস এর ক্ষেত্রে ফ্রন্ট এন্ড এর সাথে সাথে ব্যাক এন্ডে ও অনেক গুরুত্ব দিয়েছে। যেটা ফ্রন্ট এন্ড বলা হয় সেটা আসলে পিউপিল প্লাস প্রোডাক্ট। আর ব্যাক এন্ড হলো প্রসেস অরিয়েন্টেশন। কো যেভাবে আমি বলেছি ফ্রন্ট এন্ড এর ক্ষেত্রে পিউপিল আর প্রোডাক্ট থাকে যেখান হতে প্রফিট আসে কিন্তু ব্যাক এন্ডের মধ্যে অনেক কিছুই থাকে।

যেমন Standard operating proccedure, System of effeciencies, Quality control এবং Physical to digital যাওয়ার শঙ্কা থাকবে।

লাল্লু লাল মিষ্টিওয়ালা র কাছে বা তাগ্গুর লাড্ডু তে বা বিল্লে দি হাট্টি অব লাহোরের ছোলা বাটুরিতে এমন কি স্পেশাল জিনিস আছে.?

এখানে যে লাল্লু লাল আছ তিনি একজন পারসন, অসাধারণ যে মিষ্টি আছে তা হলো প্রোডাক্ট কিন্তু কিসের কমতি আছে তা হলো প্রসেস অরিয়েন্টেশন। যার কারনে লাল্লু লাল মিষ্টিওয়ালা হলদি রাম হতে পারে নাই অর্থাৎ উন্নতি করতে পারে নাই।

গ্লোবাল উদ্যোক্তাদের মধ্যে যারা ইউরুপিয়ান আছে বা আমেরিকান আছে তারা ব্যাবসায় আসার সাথে সাথেই স্কেলেবেল প্রসেস এর কথা চিন্তা করে। তারা অনেক দূর পর্যন্ত চিন্তা করে। বড় আয়ের দিকে তারা নজর রাখে কিন্তু ভারতীয় উদ্যোক্তা কম টাকার মধ্যেই থেকে যায় আর কম টাকাই আয় করে। গ্লোবাল উদ্যোক্তারা ব্যবসা শুরু করতেই লাইসেন্স ফি এর কথা বলবে। প্রোডাক্ট সার্টিফিকেশন নিয়ে চিন্তা করবে। আইপিআর ( Intellectual property Rights) নিয়ে কথা বলবে। প্যাটেন্টিং এর কথা বলবে রয়ালিটি এর কথা বলবে।

দুনিয়ার অনেক গুলো ব্যাবসা এমন ছিলো যেটা একটা ছোট গ্যারেজ থেকে বা ছোট রুম থেকে বা কুঁড়েঘর হতে চালু হয়েছে কিন্তু আজ অনেক বড় বিশ্ব প্রতিষ্ঠান হয়ে গিয়েছে। এর জন্য শুরুতে কি করতে হয়.?

তা হলো স্কেলেবেল প্রসেস কে খুজঁতে হবে। উদ্যোক্তারা কি ভুল করে তা হল তারা নিজের ব্যাবসা তে সবকিছু স্কেল আপ করতে চায়। কিন্তু আসলে সবকিছু স্কেল আপ করা সম্ভব নয়। প্রথমে আপনাকে খুজঁতে হবে আপনার ব্যাবসার মধ্যে কোন জিনিসটা প্রকৃত পক্ষে স্কেল আপ হবে। হার্লে ডেভিডসন একটি ছোট গ্যারেজ থেকে ১৯৯১ সালে চালু করা হয়েছিলো। ওয়ার্ল্ড ডিজনিও ডিজনিল্যান্ডকে একটি ছোট গ্যারেজ থেকে চালু করে ছিলো ১৯২৩ সালে।জেফ বেজোস ও অ্যামাজন ১৯৯৪ সালে চালু কর ছিল ছোট একটি গ্যারেজ থেকে। বিল হিউলেট এবং ডেভ প্যাকার্ড মিলে ১৯৩৯ সালে হিউলেট প্যাকার্ড (hp) শুরু করেছিল অনেক ছোট গ্যারেজ থেকে।

বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার ঐ জায়গাকে সিলিকন ভ্যালি হিসেবে জানা যায়। ১৯৯৮ সালে ল্যারিপেজ এবং সার্জে ব্রেন মিলে ক্যালিফোর্নিয়াতে গুগল চালু কর ছিলো। স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনেক মিলে ক্যালিফোর্নিয়া তে ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি চালু করছিল অনেক ছোট্ট একটি গ্যারেজের মধ্য দিয়ে। রিগলি, হার্ভ হাইমেন এবং ওয়ালমার্ট এদের শুরুও অনেক ছোট একটি গ্যারেজের মধ্য দিয়ো হয়ে ছিলো।আসলে চাইলে এরকম আরো হাজার হাজার উদাহরণ দেয়া যায়।

এখন মাইক্রোসফট এর একটি উদাহরণ নিয়ে কথা বলি। বিল গেটস আর পল এলেন মিলে ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট এর সূচনা করে ছিলো। ১৯৮১ সালে তাদের প্রথম বড় প্রজেক্ট আইবিএম এর পক্ষ থেকে মিলে ছিলো। DOS তৈরি করার জন্য। কিন্তু তারা তা তৈরি করতে পারে নি। তারপর তারা অনেক তাড়াতাড়ি একটি রেডিমেড DOS বাইরে থেকে কিনে নিয়ে ছিলো। এরপর ঐখানে কিছু মডিফাই করে আইবিএম এর কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করে ছিলো।

আইবিএম একটু বারগেইন করে ফিক্সড প্রাইসে কিনতে চেষ্টা করে ছিলো। কিন্তু বিল গেটস রিকারিং রেভেনিও মডেল জেনারেট করার চেষ্টা করছিলেন। তিনি আইবিএম কে রাজি করিয়ে ফেলে ছিলেন যে, আমি আপনার কাছ থেকে এখন কোনো টাকা না নেয়ার বদলে আপনার থেকে লাইসেন্স ফি নিবো। যতগুলো কম্পিউটার আপনি বিক্রি করবেন সেখানে MsDOS এর সফটওয়্যার ইন্সটলেশন হবে এবং প্রত্যেক ইন্সটলেশনে আপনি আমাকে লাইসেন্সিং ফি দিতে হবে।

এরপর শুধু আইবিএম নয় সারা পৃথিবীতে যে যে কম্পিউটার বিক্রি করে ছিলো তাকে বিল গেটস লাইসেন্সিং ফি চার্জ করে ইনস্টলেশন প্রসেস এর মধ্য দিয়ে রিকারিং রেভেনিও মডেল জেনারেট করে ছিলো যেটার মধ্য দিয়ে মাইক্রোসফট পরবর্তী লেভেলে চলে গিয়েছিল।

তাই খুঁজত থাকেন যে আপনার ব্যাবসার মধ্যে কোন জিনিস টি স্কেল আপ করা যেতে পারে। কলেজ জীবন হতে একটি ছোট গ্যারেজের মধ্যে হাভার্ড এর পড়া ছেড়ে আজ মনোপলি জেনারেট করে ফেলেছেন নিজের মাইক্রোসফট এর উইন্ডোজ পুরা বিশ্বতে। তো আজকে আরেকটা উদাহরন নিয়ে কথা বলবো। তা হলো আরবিন্দ আই কেয়ার হসপিটাল যা পৃথিবীর মধ্যে এক ধরনের তুফান সৃষ্টি করে দিয়ে ছিলো।

আই কেয়ার হসপিটাল গুলোর মধ্যে এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আই কেয়ার হসপিটাল চেইন সিরিজ তৈরি করেছে। ডাক্তার গোবিন্দাপ্পা ভেনকাটাসোয়ামি অনেক বড় একজন কারিগড়ের পরিচয় দিয়েছেন। আজ সারা বিশ্বতে আই কেয়ারের মধ্যে যে পরিবর্তন তিনি এনে দিয়েছেন, চক্ষুহীন ব্যাক্তিকে চোখেে আলো ফিরিয়ে দেয়ার মিশনের সাথে এক মিশনারি স্পিরিটে সারা বিশ্বতে ব্যবসাকে প্রসারিত করেছেন। তাদের কেস স্টাডি তো এমন যে আজ হাভার্ড ইউনিভার্সিটি তাদের কেস স্টাডি কো বিক্রি করে টাকা আয় করছে।

আমেরিকাতে চোখের যে অপারেশনের জন্য ১৮০০ ডলার নেয়া হত তখন ভারতে গোবিন্দাপ্পা ভেনকাটাসোয়ামি একই অপারেশন ১০ ডলারের মধ্যে করিয়ে দিয়েছেন। কোথায় ১৮০০ ডলার আর কোথায় ১০ ডলার.! এই বিষয়টি কে বলা যায় আরবিন্দ আই কেয়ার হসপিটাল তাদের মডেলকে স্কেলেবেল করেছে। তারা দেখেছে সবচেয়ে বেশি চক্ষুহীন সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতেই বেশি আছে।

এখানে তারা এটি সুযোগ দেখতে পেয়েছে এবং তারপর এই মডেলটি কে এশিয়ার মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন।তারপর আফ্রিকা নিয়ে গেছেন। আর আমেরিকানরা এই কন্টেন্ট কে সাউথ আমেরিকাতে নিয়ে গেছেন কারণ সেখানকার লোকের মেডিকেল ফেসিলিটি এবং অর্থের কমতি ছিলো।

দেখুন যদি আপনি কনফিউজড হচ্ছেন বা মনে করছেন, ডাক্তার গোবিন্দাপ্পা ভেনকাটাসোয়ামি সার্ভিস কে সস্তা করে দিয়েছেন তো কেমনে আয করছে.? তাহলে আপনাকে বলছি ভালো করে খেয়াল করুন ডাক্তার গোবিন্দাপ্পা ভেনকাটাসোয়ামি এর একটা নিয় আছে যে আমরা মূল্য এই জিনিসটার উপর নির্ধারন করবো না যে আমাদের কত খরচ পড়ে বরং আমরা মূল্য এই জিনিসটার উপর নির্ধারন করবো যে রোগির টাকা দেয়ার সামর্থ্য কতটুকু আছে।আরবিন্দ আই কেয়ার হসপিটাল কি করেছে, তারা ৭০% অপারেশন যতই করুক না কেন তা বিনামূল্যে করে থাকে।

আর বাকি ৩০% অপারেশন গুলোও অনেক কম মূল্যে করে থাকে। ৩০% অপারেশন কম মূল্যে করার পরও ৭০% ফ্রি তে করা দেখে মনে হয় এত খরচ কিন্তু আমদানি কিছুই হচ্ছে না তাহলে হয়তো কোম্পানি লসে চলছে। আপনি কনফিউজ হয়ে যাবেন। মোট প্রফিট আজও ৪০% এর নেট মার্জিনে চলছে। তাদের ইবিডটা ৪০% এর চেয়েও বেশি।সাধারন ভাষায় ইবিডটা এর মানে হল যেটা তাদের প্রফিট আছে আজ ৪০% এর চেয়েও বেশি আছে।

কোনো ব্যাবসাতে এত বড় মার্জিন হয় না কেননা তিনি ব্যাবসাকে স্কেল আপ করেছেন। তারা এটা চিন্তা করে নি যে আমি রুমের মধ্যে বসে লিমিটেড অপারেশন করবোআর অনেক বেশি আয় করে ফেলবো। স্কেলেবেলিটি এর প্রথম উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিন্তা বা লক্ষ্য হতে হবে বড় এবং গ্রহণযোগ্য। আবারো বলছি ভালো করে খেয়াল করবেন স্কেলেবিলিটি এর প্রথম শর্ত হলো আপনার চিন্তাটা ক্রান্তিকারী থেকে অনেক বড় হতে হবে।

যত বড় বড় চিন্তা করবেন তত ভালো আইডিয়া আসবে যে কোন বিষয়টি আপনি স্কেল আপ করতে পারবেন। যদি প্লাস প্লাস প্লাস প্লাস করে চিন্তা করতে থাকেন তাহলে কোনোমতে আইডিয়া আসবে না। আইডিয়া আসবে কোনটা যেটা আপনি লিস্টিং বিষয় গুলোকে ঠিক করবেন। কিন্তু যদি আপনি মাল্টিপ্লিকেশনালি হিসাব করেন বা চিন্তা করেন কাহলে আইডিয়া অনেক ভালো আসবে।

১৩ বেডের হসপিটাল থেকে আরবিন্দ আই কেয়ার হসপিটাল এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় চেইন হয়ে গেছে। ইতিহাস রচনা করে ফেলেছে তারা। প্রফিটের কথা চিন্তা করে নি তারা বরং ব্যাবসা সমৃদ্ধ করার কথা চিন্তা করেছেন। যেরকম ভাবে ম্যাক ডোনাল্ডস তাদের বেস্ট বার্গারের জন্য পরিচিতি লাভ করে নি বরং তারা সারা পৃথিবীতে বিলিয়ন বার্গার বিক্রি করার মাধ্যমে নিজেদের পরিচিতি লাভ করেছে।

Top 36 Reasons For Business Failure

36 Reasons for Business Failure

You may hear the word “thirty-six” by many people. So what does this “thirty-six” word mean? It is mainly used for the negative connotation, such as thirty-six types of people; you have thirty-six types of tantrums; you are making the same mistakes thirty-six times.

Now I will tell you about thirty-six reasons for business failure, which are those thirty-six reasons that are creating negative growth in your business. Let’s discuss the ideas.

Top 36 Reasons For Business Failure

1. Building something that people don’t need

You created some products that are users unfriendly, or you ignored the customer’s need. Then why will they buy your product?

People buy things when they must need products. So if you think that your product is very customer friendly, but your customer didn’t find them that much useful, then there will be no reason customers will buy your products or take a risk to pay you to advance.

So building something that people don’t need may decrease your business growth.

2. Hiring poorly or not the right team

Some times wrong hiring may cause you disruptive, harmful, costly, and annoying. Cheap recruitment may costs you badly.

If you don’t have the right workforces or your team is not ready yet, you will not be able to control the business anymore.

You will only remain as an operator, and you can’t be a controller of your business to raise it properly. That may costs you a lot.

3. Lack of focus

Maybe you’re working too much, producing too many products, visiting too many territories, or visiting too many markets, but you don’t have complete focus on your business. That will be a big reason for your business failure.

So no matter how much you’re working, your lacking of attention may decrease your business growth.

4. Stuck in legal issues

If you are not able to follow compliances and legal issues that will become one of the biggest reasons for your business failure.

  • You have to regulate government compliances properly such as
  • What will be the trademarks of your business?
  • What are the details business certifications you may need
  • What types of legal papers do you need to complete?
  • What should be written in the contract papers? or
  • Where to sign in the contract papers?

If you can’t regulate these issues, you may risk your business.

So be careful about agreements and legal issues.

5. Failure to execute sales and marketing

If you are not able to make the below points, you will bring loss to your business. These are-

  • If you can’t bear the right scheme of marketing
  • If you can’t up-sell, cross-sell, or re-sell the product
  • If you don’t have the right pricing strategy
  • If you can’t do proper marketing
  • If you’re using expensive marketing methods such as advertising on television, FM radio,
  • If you can’t measure digital campaigns properly
  • If you can’t bring customer acquisition cheaply.

6. Bad location

Sometimes the right place becomes the wrong choice. It will be the wrong choice of the situation if you want to open a small restaurant in front of a big mall or restaurant. Then if you are hiring or buying a restaurant with a big budget that will impact your PLA or profit and loss account. If the total location expenses are more significant than your full monthly or yearly turn over, it will lead to your business loss.

7. Getting outcompeted

Not tracking competitors or too much competition may cause losses to your business. If your business ideas can be easily copied or anyone has done it before, if you enter late in that business without understanding the competition strategy, or if you don’t build the competitive advantages, then your business will face loss.

8. Not having the right partners or co-founders

If you choose the wrong partner or wrong co-founder, it will hamper your business. You should select such a co-founder or partner that will support you whenever you fail. You both must have complimenting strength like if your partner is the action man or idea man, then you become the people man or process man or if your partner is the people, man or process man than you should become the action man or idea man.

If your co-founder or partner is doing the same as yours, then your business will not improve. Choose someone who will give the best in their sector.

9. Cash burn or not been able to raise money

If there are more cash burn and less fundraising from the beginning, then you may face loss in your business. If there is not adequate money in your business, then there is no chance of profit in your industry.

10. Not being able to execute a pivot or not learning from your failures

If you can’t build an improvement cycle, then you will face loss. All the big companies or brands which bring the first product is not their last product. They bring pivot, J- curve.

Pivot: Pivot is if a brand or company makes any fundamental changes to business by doing market researches. As their products are not able to complete the needs of their customer, they change the outcome. Companies will continue to pivot as they discover new opportunities or break the business according to customer demand. The main focus of pivot strategies is to attract new types of customers.

J- curve: J- curve starts from the down and goes up according to your work growth.

Always learn from your failure, evolve the brand, and still do proper observation.

11. Raising too much money

If your business has less margin but more cash flow, in that case, you will face loss in your industry. Don’t collect or loan so much money in less margin business. If you bring a lot of money, you cannot properly utilize all the money, or you can spend the money in some unnecessary sectors.

12. Lack of planning

Without planning the whole journey, if you enter the business, then you may face significant losses. If your business plan doesn’t include a mentor, coach, guide, or trainer, you don’t have an ideal business plan. Without a mentor, coach, guide, and Trainor, your business plan may not succeed.

13. Chasing investor not user

Some people make mistakes by focusing on investors. But if you give your full attention to the user or the customer, you will never require any investor. You should consider the entire priority of what your user or customer wants.

The user or customer will give you the advance money, which will help you in your start-up. So, chasing investors will be the wrong decision for your business.

14. Leadership/ strategic failure

If you can not make a proper strategy or cannot correctly understand the policy, then your business will face loss. There are fifty types of plans for the company. You have to understand every standard. You can also get the information about the rules from ‘Everything About Entrepreneurship.’

15. Wrong partner and alliances

If you choose the wrong partner and alliances, then it will be a bad decision. If you have a weak vendor, contractors, investors, partners, partnerships, strategic partnerships, cross-promotion partners, barters partner, then we will face loss in your business.

If your supplier is weak, you will get an ineffective product. So always try to choose partners and alliances wisely.

16. No differentiation

Differentiation is an essential point for your business. You have to distinguish why customers will come to your company. What differences you have that no one can give it to him, why they will choose your product over much other merchandise from markets, what value you give him to accept you, and reject it other product or companies. If you cannot see differentiation about your customer needs, you cannot prosper in your business.

17. Wrong business model

Another wrong decision is if you create a faulty business model. Business usually depends on two points- method and model. Colonel Sanders, the founder of KFC, Richard, and Maurice, the founder of Mcdonalds, Caleb Bradham, Pepsi, A.G Candler, the founder of Coca-Cola, build the ideal business model that still no one can take it over. So make your business model as much durable as you can.

18. No revenue model

The business model’s primary focus is scalability, and the revenue model is all about income possibilities. If your business is like the income is late or no income, then the revenue model will become weak, which may cause the closure of your business.

19. Over expansion

Expansion without the right margin is committing suicide because scale kills. Try hard to start up your business correctly; don’t try to focus only on development.

20. Bad debts

Bad debts mean suppose you are giving a mortgage to someone who will never return your debts. Every penny is significant. So if you have bad debts, then there is no chance to succeed in your business.

21. Macroeconomic factors

Macroeconomic factors are those that you cannot control, such as earthquakes and pandemic outbreaks (coronavirus).

It is not easy to manage coronavirus because we still do not have any vaccine or cure. So, it will impact our whole economy.

22. Slow execution

If you don’t know how to execute or how to do a framework, then you can face a severe loss in your business. Framework includes-

  • How to execute?
  • How to track?
  • How to make a scoreboard?
  • How to check results?
  • How to review accountability?

If you have to make a business plan, you also have to execute it at the last level. Companies don’t face loss due to strategy; it may fail because of the plan’s execution.

23. Wrong target and positioning

When don’t you understand your position or target, or what your product positions are, such as its value for money product? Premium product? Chinese goods product? Or are you from the opportunistic market?

Then you may face loss. Xiaomi has its position, Apple has its place, and Maruti has its stand, Mercedes has its location, and these companies do their business according to their positions.

24. Premature scaling

If you start the advertisement, expansion, business growth at the wrong time, you should understand the right time for scaling. The first thing is pilot, experimentation, and validation then comes scalability and expansion.

Pilot, experimentation, and validation means the customer will tell you whether you’re doing right or wrong and gives you advance, which means your business model is great, and you’re going right.

25. Ignoring user feedback

If you never check the review, or if you don’t have any model or any methods in which customer will leave their compliments. First of all, create a platform that should be private, not public.

He may give the compliments or review through E-mail, feedback form, phone calls, meetings. When you get the study, try to improve as soon as possible.

26. Lack of profit or cash

Profit and cash are different issues. Profit means when you buy a product in 100 rupees and sell it in 150 rupees, that means you get 50 rupees profit, and cash means you purchase a product in 100 rupees and sell the same product in 150 rupees, but you don’t get the payment or credit. If your experience delayed payment, then you will face the loss in your business.

27. Wrong time to market

When you launch at the wrong time, it is definitely may cause you to lose in the business. If you are starting any product in Bhagalpur, Kanpur, Jaipur, Mirzapur, or Kharagpur, customers don’t need this product at that moment.

This product is only demandable in Delhi, Mumbai, or Bengaluru, and you’re forcefully taking the products in the TR3 or TR4 level. Due to the wrong timing, you may receive customers lately, and after losing your working capital, you may burn out your cash.

28. Inadequate inventory management

If you’re blocking your cash by overflowing the inventory unnecessarily, you are making a big mistake. Your inventory will bring money to you. You have to manage your inventory smoothly that will help you to bring your money quickly.

29. No passion

If you choose a business where profit is more, but there is a lack of passion, you will face loss. If you have a passion for that business, you will get courage and energy. Don’t get involved only seeing the business model.

30. Scaling without technology

Are you thinking about the growth of your business without building the technology, then it will lead you to a significant loss in your industry. According to Dr. Mohan Das Pai, “You should expand your business through technology.”

You don’t have to hire more workforce, don’t have to open office frequently, don’t have to set up factories regularly, don’t have to create infrastructure, don’t have to bring machines often. You should keep focusing only on technology. That will help you to expand your business at a low cost.

31. Personal use of business fund

If you take a loan from the business, then never use it for your expenses. Fix a monthly salary for yourself also because it is not only your money. Every employee from your company deserves the money. So, if you’re thinking of buying a car, house, or go on a vacation in this money, it will be the biggest mistake for you.

32. No succession planning

You have to choose your future leadership; you have to create your next team. You have to determine who will come after you for guidance, also select someone who can manage the business without you. You have to choose a successor by technology, team, and training who will handle your business correctly in your absence.

33. Failure to identify the opportunity gap

You can become a failure if you can’t identify the opportunity gap. You have to understand future delaying thinking. You should follow the problems which may occur in the future and can easily differentiate the big opportunity gap. Create something that will instantly capture the market, and you can take the premium charges by adopting the problems.

34. Bad product experience

If the customer faces any bad experiences, then they will not return to buy your product anymore. The golden statement is, “Sales marketing can bring the customer, but Product quality will make customers stick to your product.”

35. Untrained or disharmonious team members

You may create a team, but they can’t easily cope up with your changing organizations. Either you can’t train them correctly, or you are not able to manage their harmonies. Due to politics, your business execution may become slow. If there is disharmony between employes, your business growth speed will decrease. It is a big issue for your business because your team will help you in expanding your business.

36. LTVC ( Long term value of customer )

If you can’t produce repeated customers, if you can’t build a recurring revenue business, If you can’t manage the passive income, which will bring you money in the future, then you will face loss in your industry.

Final Verdict

These 36 reasons can make you a failure. Please note down these Thirty-six points and rate your company or organizations by these thirty-six points. Check properly between these points, where you are qualified, and where you are not qualified. Discuss with your team members whether you are going right or wrong and share with your investors and customers.